1. admin@dainiksomoy24.com : admin :
নোটিশ
সাংবাদিকতার সুযোগ দিচ্ছে প্রকাশিতব্য দৈনিক সময় ২৪ । আগ্রহীরা আগামী ৩০ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। যোগাযোগ 01716605694
সর্বশেষ
৭ই মার্চের ভাষণ মুক্তিযুদ্ধে প্রেরণা যুগিয়েছিল বীর সেনানীদের : এনডিপি মশার উপদ্রবে নাকাল নগরবাসীকে রক্ষা করুন : বাংলাদেশ ন্যাপ সাংবাদিক রুদ্র রুহান এর শুভ জন্মদিন আজ মির্জাগঞ্জে বিপুল পরিমাণ গাঁজা সহ আটক ৩ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাবস্থায় বারবার বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের উপর আঘাত এসেছে : মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা চরফ্যাশন বিএনপি সাবেক সভাপতি মৃত্যুতে নুরুল ইসলাম নয়নের শোক মরদেহে ফুল নয় পারভেজ আকন বিপ্লবের ইচ্ছা পূরণ চামড়ার মৃল্যবৃদ্ধি ও কওমি মাদ্রাসা খুলে দেওয়ার দাবি জানালেন খুলনা মহানগরীর আইম্মা পরিষদ মানবতার ফেরিওয়ালা রবি ও ইমনের জন্য দোয়া চাইলেন জাতীয় মানবাধিকার সমিতি সাবেক এমপি সেলিমের মৃত্যুতে এনডিপির শোক স্মরণ করি তোমাদের শ্রদ্ধার সাথে : এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক অধ্যাপক ড. আফতাব আহমেদ ১৪ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা

  • Update Time : Friday, September 25, 2020
  • 264 Time View

এডিটর ডেস্ক রিপোর্ট:

অধ্যাপকড. আফতাব আহমাদ একজন বাংলাদেশী একাডেমিক ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম উপাচার্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর আহমেদকে ঢাকার বাসায় গুলি করা হয়েছিল। তাকে সামোরিতা হাসপাতালে এবং পরে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়েছিল। তিন দিন পরে, ২৬ সেপ্টেম্বর রক্ত জমাট বাঁধার ফলে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের পরে আহমেদ মৃত্যু বরন করেন।

ড. আফতাব আহমাদ এম, এ (ঢাকা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান) পিএইচডি (লন্ডন) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক; মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও মুক্তিযােদ্ধা; প্রথম বিরােধী জাতীয় পত্রিকা ‘গণকণ্ঠ’ এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী সম্পাদক; ১৯৭৪-এ গঠিত Civil Liberty and Legal Aid Committee র অন্যতম সংগঠক; ১৯৭৪ এ গঠিত জাতীয় দুর্ভিক্ষ প্রতিরােধ কমিটির অন্যতম সদস্য। আফতাব আহমাদ ১৯৭৪-এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক হিসেবে নিয়ােগ লাভ করেন।

কিন্তু রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপে তার যােগদানে বাধাদান করা হয়। পরবর্তীতে বাতিল। করা হয় এই নিয়ােগাদেশ। ১৯৭৫-এ তিনি শেখ কামাল কর্তৃক অপহৃত হয়ে স্পেশাল ব্রাঞ্চে হস্তান্তরিত হন এবং পরবর্তীতে কারারুদ্ধ হন।

প্রায় এক বছর কারাবাসের পর ১৯৭৬-এর মার্চে রীট মামলার ফলে সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের নির্দেশে মুক্তি লাভ এবং ১৯৭৭-এ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগে যােগদান করেন। তিনি ১৯৭৪-এ গঠিত Council of Editors এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য; ১৯৭৮-এ Commonwealth. Scholar হিসেবে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি গবেষনাক্রমে।

যােগদান করেন। তিনি এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সদ্য প্রতিষ্ঠিত। Development Studies বিভাগের প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব। পালন করছেন। তাঁর অন্যান্য পরিচিতি : প্রাক্তন চেয়ারম্যান, রাজনীতি বিজ্ঞান। বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৮৬-৮৯); প্রাক্তন সভাপতি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৯২-৯৫); প্রাক্তন সভাপতি চট্টগ্রাম। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি; প্রাক্তন সদস্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ।

সিনেট ও সিন্ডিকেট; ১৯৯৫ থেকে প্রফেসর, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ রাষ্ট্রবিজ্ঞান। সমিতি। আন্তর্জাতিক গবেষণা জার্নালসমূহের নিয়মিত Contributor। আফতাব আহমাদ আন্তর্জাতিক সেমিনার ও কনফারেন্সে অসংখ্যবার।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তিনি একজন সক্রিয় মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধাদের “বীরশ্রেষ্ঠ”, “বীরউত্তম”, “বীরবিক্রম”, “বীরপ্রতীক” এই খেতাবগুলোর প্রস্তাব তিনিই প্রথম করেন।

জীবনের শেষ দিকে যে রাজনীতির জন্য তিনি বলেছেন, লিখেছেন তারা এখন আর কেউ তাকে স্মরণ করে না। স্মরণ করার প্রয়োজনও মনে করে না সেই অকৃতজ্ঞরা।

আজকের এই দিনে তাকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Customized BY NewsTheme