ইমাম-মুয়াজ্জিনের সম্মানি ভাতা নিয়ে ‘আর্থিক লেনদেনের’ অভিযোগ, বিএনপি নেতাকে শোকজ
পৌর বিএনপির ৮ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মোল্লাটারি জামে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমের সরকারি সম্মানি ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ার কারণ দর্শাতে সংশ্লিষ্ট নেতাকে তিন দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হারাগাছ পৌরসভা শাখা বিএনপির সভাপতি মো. মোনায়েম হোসেন ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আমিন দাজু স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চিঠিটির তারিখ ২১ আগস্ট ২০২৬।
চিঠিতে হারাগাছ পৌর বিএনপির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম রাজু-এর বিরুদ্ধে মোল্লাটারি জামে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমের সরকারি সম্মানি ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, উত্থাপিত অভিযোগের কারণে দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। এ অবস্থায় তার বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে চিঠি পাওয়ার পর তিন দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না দিলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমের সরকারি সম্মানি ভাতা প্রদানের মতো একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে দলীয় নেতার বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ ওঠায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
তবে চিঠিতে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এটি দলীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মো. সাইফুল ইসলাম রাজুর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।
এখন নির্ধারিত তিন দিনের মধ্যে অভিযুক্ত নেতার পক্ষ থেকে কী জবাব দেওয়া হয় এবং সেই জবাবের ভিত্তিতে হারাগাছ পৌর বিএনপি কী ধরনের সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।