পার্বতীপুরে গৃহবধূকে শাবল দিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী গ্রেফতার
মাহামুদুল হাসান, পার্বতীপুর (দিনাজপুর)
দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায় ফাল্গুনী রানী (১৯) নামে এক গৃহবধূকে শাবল দিয়ে আঘাত করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী কনক রায়ের (২৩) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কনক রায়কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নিহত ফাল্গুনী রানী উপজেলার ২ নম্বর মন্মথপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং কনক রায়ের স্ত্রী। তাঁর বাবার নাম নবকান্ত রায় ও মায়ের নাম বাসন্তী রানী। কনক রায়ের মায়ের নাম সরিষা রানী। নিহতের পাঁচ মাস বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। শিশুটির নাম কণিকা রানী রায়।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নারায়ণপুর গ্রামের মনসা মন্দিরের সামনে পূজা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ফাল্গুনী রানীর সঙ্গে তাঁর স্বামী কনক রায়ের বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে কনক রায় শাবল দিয়ে ফাল্গুনী রানীকে আঘাত করেন বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা।
আঘাতে ফাল্গুনী রানী গুরুতর আহত হন। পরে তাঁর মৃত্যু হয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানান। ঘটনার খবর পেয়ে নিহতের স্বজনরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
মাত্র পাঁচ মাস বয়সী কন্যাশিশু কণিকা রানী রায়কে রেখে ফাল্গুনী রানীর মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের মধ্যেও এ ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার পর পুলিশ নিহতের স্বামী কনক রায়কে গ্রেফতার করে। তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, ঘটনার সময়কার পরিস্থিতি এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না—এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে বলে জানা গেছে।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।