হলুদ সাংবাদিকতার নজির’, ইনকিলাবের প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে জামায়াতের প্রতিবাদ
আইয়ুব আলী। রংপুর
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের দৈনিক ইনকিলাবে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দৈনিক ইনকিলাবে ‘গুপ্ত’ কর্মকর্তাদের ষড়যন্ত্রের শিকার মাদরাসা শিক্ষকরা শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে সম্পূর্ণ হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নাম জড়িয়ে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, মাদরাসা শিক্ষকদের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত জটিলতার পেছনে ‘গুপ্ত জামায়াত অনুসারি’ কর্মকর্তাদের জড়িত থাকার যে অভিযোগ প্রতিবেদনে করা হয়েছে, তার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো সম্পর্ক নেই।
জুবায়ের বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, জামায়াতে ইসলামী সবসময় মাদরাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন এবং শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। অথচ সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে দলটিকে মাদরাসা শিক্ষা বিদ্বেষী হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক এবং পারস্পরিক বিশ্বাসে ফাটল ধরানোর লক্ষ্যেই এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রশাসনিক বা বাজেটসংক্রান্ত জটিলতাকে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে জামায়াতের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ তথ্যপ্রমাণহীন।
বিবৃতিতে এডভোকেট জুবায়ের বলেন, ‘এ ধরনের সস্তা ও কাল্পনিক গল্প ফেঁদে জামায়াতে ইসলামীর ভাবমর্যাদা ক্ষুণ্ন করা যাবে না।’
তিনি যাচাই-বাছাই ছাড়া বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য দৈনিক ইনকিলাব কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। পাশাপাশি দেশবাসীকে রাজনৈতিক অপপ্রচার ও গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ারও অনুরোধ জানান তিনি।