June 27, 2026, 10:08 pm
শিরোনাম:
হলুদ সাংবাদিকতার নজির’, ইনকিলাবের প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে জামায়াতের প্রতিবাদ সংসদ টিভি সম্প্রচারে এমপিদের নাম ও আসন প্রদর্শনের নির্দেশ, স্বচ্ছতা বাড়বে বলে আশা রংপুরে কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা: প্ররোচনার অভিযোগে প্রাইভেট শিক্ষক গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে কৃষক কার্ড নেওয়া ভাইরাল কৃষক কবির হোসেন আর নেই আওয়ামী লীগের সব গুম-খুন গণহত্যার বিচারের দাবিতে রাজধানীতে ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৬ জেলায় সেনা মোতায়েন রুটিন দায়িত্ব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সোশ্যাল মিডিয়ায় এমপি হানজালাকে নিয়ে রাশেদ খানের সমালোচনা, পাল্টা মন্তব্যে নতুন বিতর্ক মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেনের মান্যবর রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ খুলনা বিভাগীয় সমাবেশ পৌঁছেই ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন এমপি আব্দুল মুনতাকিম জামাত সংসদ সদস্য

ঢাবি এলাকা থেকে তুলে নেওয়া, নির্যাতনের স্মৃতি—৪ বছর পর মুখ খুললেন এমপি আক্তার হোসেন

সুজিত কুমার বর্মন কাউনিয়া

ঢাবি এলাকা থেকে তুলে নেওয়া, নির্যাতনের স্মৃতি—৪ বছর পর মুখ খুললেন এমপি আক্তার হোসেন

সুজিত কুমার বর্মন কাউনিয়া
২০২১ সালের ১৩ ও ১৪ এপ্রিল—এই দুই দিন আজও দুঃসহ স্মৃতি হয়ে আছে বর্তমান সংসদ সদস্য আক্তার হোসেন-এর জীবনে। প্রথম তারাবির রাতের সেই সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।
ভুক্তভোগীর বর্ণনা অনুযায়ী, সেদিন তাকে প্রথমে শাহবাগ থানা-তে নেওয়া হয়। সেখানে হাত পেছনে বেঁধে এবং চোখ ঢেকে একটি গাড়িতে তোলা হয়। পরে তাকে ডিবি পুলিশ অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে চোখ বাঁধা অবস্থায়ই নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।
তিনি জানান, নির্যাতনের ফলে তার হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লাগে, যার কারণে দীর্ঘদিন স্বাভাবিকভাবে সিজদাহ দিতে পারেননি। এছাড়া আটক হওয়ার পর দীর্ঘ সময় তার পরিবারের সদস্যরা তার কোনো খোঁজ পাননি, এমনকি প্রয়োজনীয় ওষুধও তার কাছে পৌঁছাতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।
পরদিন তাকে ‘মোদী বিরোধী আন্দোলন’ সংশ্লিষ্ট একটি মামলায় আদালতে পাঠানো হয়, যেখানে তাকে এক নম্বর আসামি করা হয়। ওই মামলায় তাকে আরও দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।
এই সময় তার মুক্তির দাবিতে দেশের বিভিন্ন মহল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়। তার সহপাঠী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ দাবিতে সরব ছিলেন। একাধিক আইনজীবী তার পক্ষে আইনি লড়াই চালান।
দীর্ঘ আড়াই মাস পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। তবে পরবর্তীতেও তাকে আরও দুইবার গ্রেফতার হতে হয়েছে বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে আক্তার হোসেন বলেন, “প্রথমবারের অভিজ্ঞতাই আমার এবং আমার পরিবারের জন্য সবচেয়ে কঠিন ছিল। সেই সময়ের ভয়, আতঙ্ক ও কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।”
তবে সময়ের ব্যবধানে তিনি সেই দুঃখ-কষ্টকে নিজের জীবনের অর্জন হিসেবে দেখছেন। তার ভাষায়, “এখন সেই কঠিন সময়গুলোই আমাকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দেয়।



ফেসবুকে আমরা