October 11, 2026, 3:00 am
শিরোনাম:
পার্বতীপুরে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত বীরগঞ্জে ধান ক্ষেত থেকে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার বীরগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সপ্তাহ, লিফলেট বিতরণ ও ব্লিচিং পাউডার ছিটানো যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ পার্বতীপুরে এলপিজির বাড়তি দাম,দুই প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা পার্বতীপুরে বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু পার্বতীপুর রেলওয়ে জংশনে ৩ ও ৪ নং প্ল্যাটফর্মের ওভারব্রিজ জরাজীর্ণ: চরম ঝুঁকিতে পথচারী ও যাত্রীরা পার্বতীপুরে ৮৫০ পিস এ্যাম্পল ইনজেকশনসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার পার্বতীপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী আটক ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুতের বিল ৫০৬ কোটি টাকা, বরখাস্ত পল্লী বিদ্যুতের জিএম

ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রপতিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে, দেশত্যাগের সুযোগ দেওয়া যাবে না” — নাহিদ ইসলাম

আইয়ুব আলী

ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রপতিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে, দেশত্যাগের সুযোগ দেওয়া যাবে না” — নাহিদ ইসলাম

আইয়ুব আলী। রংপুর
রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর তাকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন রাজনৈতিক নেতা নাহিদ ইসলাম। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রপতিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে। কোনো অজুহাতে তাকে দেশত্যাগের সুযোগ দেওয়া যাবে না।”

সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করার পরও মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদে বহাল ছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সে সময় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তিত হলেও তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন, যা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

নাহিদ ইসলাম আরও দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে ভূমিকা রেখেছেন। তিনি বলেন, “ফ্যাসিস্ট সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে এবং আওয়ামী লীগকে স্বৈরাচারী শক্তিতে পরিণত করতে তিনি নানাভাবে সহযোগিতা করেছেন। এজন্য তার কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।”

তিনি অভিযোগ করেন, দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়ার সময় রাষ্ট্রপতি হিসেবে সাহাবুদ্দিন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি। বরং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে তিনি সরকারের অবস্থানকে সমর্থন করেছেন বলে মন্তব্য করেন নাহিদ ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে যাওয়ার পর তাকে দেশ ছাড়ার সুযোগ দেওয়া হলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও তদন্ত কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা।

নাহিদ ইসলামের বক্তব্যের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে তার উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বা তার কার্যালয়ের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ এবং তাকে ঘিরে ওঠা বিভিন্ন দাবি-দাওয়া দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে এখন সংশ্লিষ্ট মহলের নজর রয়েছে।

উল্লেখ্য, নাহিদ ইসলাম তার বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, দেশের জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির ভূমিকা তদন্তের আওতায় আনতে হবে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।



ফেসবুকে আমরা