June 27, 2026, 10:05 pm
শিরোনাম:
হলুদ সাংবাদিকতার নজির’, ইনকিলাবের প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে জামায়াতের প্রতিবাদ সংসদ টিভি সম্প্রচারে এমপিদের নাম ও আসন প্রদর্শনের নির্দেশ, স্বচ্ছতা বাড়বে বলে আশা রংপুরে কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা: প্ররোচনার অভিযোগে প্রাইভেট শিক্ষক গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে কৃষক কার্ড নেওয়া ভাইরাল কৃষক কবির হোসেন আর নেই আওয়ামী লীগের সব গুম-খুন গণহত্যার বিচারের দাবিতে রাজধানীতে ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৬ জেলায় সেনা মোতায়েন রুটিন দায়িত্ব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সোশ্যাল মিডিয়ায় এমপি হানজালাকে নিয়ে রাশেদ খানের সমালোচনা, পাল্টা মন্তব্যে নতুন বিতর্ক মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেনের মান্যবর রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ খুলনা বিভাগীয় সমাবেশ পৌঁছেই ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন এমপি আব্দুল মুনতাকিম জামাত সংসদ সদস্য

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: জড়িত থাকলে কাউকেই ছাড় নয়—ডা. শফিকুর রহমান

মোঃ আইয়ুব আলী
দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স
দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: জড়িত থাকলে কাউকেই ছাড় নয়—ডা. শফিকুর রহমান

আইয়ুব আলী । রংপুর
দেশে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন বিরোধীদলীয় প্রধান ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, “দুর্নীতির সাথে আমিও জড়িত থাকলেও আমাকেও ছাড় দেওয়া যাবে না।”
তার এই স্পষ্ট ও আত্মসমালোচনামূলক বক্তব্য ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সংসদে আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে ব্যক্তিগত, দলীয় বা প্রভাবশালী পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবার জন্য সমান বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
দুর্নীতিকে তিনি একটি গভীর সামাজিক ব্যাধি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এটি শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতিই করে না, বরং রাষ্ট্রের নৈতিক ভিত্তিকেও দুর্বল করে দেয়। তাই দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি সর্বাত্মক ও কার্যকর দুর্নীতি বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা জরুরি।

বিরোধীদলীয় প্রধান ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশে দুর্নীতির সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, যা থেকে বের হয়ে আসতে হলে প্রশাসন, রাজনীতি ও সমাজের সব স্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এমন বক্তব্য রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে দায়বদ্ধতার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে। তবে তারা সতর্ক করে বলেন, শুধু বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব প্রয়োগের মাধ্যমে এর সত্যতা প্রমাণ করাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

অন্যদিকে, সাধারণ জনগণও এই ধরনের দৃঢ় অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঘোষিত এই কঠোর মনোভাব বাস্তবে কার্যকর হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে,
তারা যতই প্রভাবশালী হোক না কেন। এতে করে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনআস্থা পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



ফেসবুকে আমরা