September 11, 2026, 6:32 pm
শিরোনাম:
গঙ্গাচড়ায় মাদকবিরোধী মিছিল ও আলোচনা সভা আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে গুমের শিকারদের সন্ধান ও বিচারের দাবি মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের আহ্বান সালাহউদ্দিন আহমদের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মাদক সেবন বাধা দেয়ায় রংপুরে শিক্ষকসহ একই পরিবারের ৪ জন হত্যা ইমাম-মুয়াজ্জিনের সম্মানি ভাতা নিয়ে ‘আর্থিক লেনদেনের’ অভিযোগ, বিএনপি নেতাকে শোকজ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন আজ সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেবেন মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কে হচ্ছে ২৩ তম রাষ্ট্রপতি, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ফখরুল-অলির লড়াই আজ

পল্লবীর আট বছরের রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার দায়ে দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

Md Sadiqul Islam

পল্লবীর আট বছরের রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার দায়ে দম্পতির মৃত্যুদণ্ড
মোঃ সাদেকুল ইসলাম, রংপুর।
রাজধানী ঢাকার মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা (৩১) ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে (২৬) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ রামিসার ওয়ারিশদের (পরিবার) দেওয়া হবে।
  • ঘটনার তারিখ: ১৯ মে ২০২৬ (মঙ্গলবার)। পল্লবীর সেকশন-১১ এর একটি ভাড়া বাসার ফ্ল্যাটে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে।
  • ভিকটিম: রামিসা আক্তার, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী (৮ বছর বয়সী)।
  • ঘটনার সারাংশ: প্রতিবেশী সোহেল রানা শিশু রামিসাকে কৌশলে নিজ ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে ধর্ষণের আলামত লুকাতে এবং অপরাধ ধামাচাপা দিতে তাকে গলা কেটে হত্যা করেন। লাশ টুকরো করে লুকানোর চেষ্টা করা হয় — মাথা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় বাথরুমে এবং দেহের অংশ বিছানার নিচে পাওয়া যায়।

পরদিন ২০ মে ভোরে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। সোহেল রানা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে অপরাধে সহায়তা ও আলামত নষ্টের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়।

  • ২৪ মে: চার্জশিট দাখিল।
  • ১ জুন: অভিযোগ গঠন।
  • ২ জুন: সাক্ষ্যগ্রহণ (১৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য শেষ)।
  • ৩ জুন: আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন।
  • ৪ জুন: যুক্তিতর্ক শেষ (রাষ্ট্রপক্ষ মৃত্যুদণ্ড দাবি করে)।
  • ৭ জুন ২০২৬: রায় ঘোষণা — ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় দেন। মাত্র ১৯ দিনে বিচার সম্পন্ন হয়েছে।
ই রায়ে অনেকে দ্রুত বিচারের উদাহরণ হিসেবে দেখছেন, যদিও আপিলের সুযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সারাদেশে তীব্র ক্ষোভ ও শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থার দাবি আরও জোরালো হয়েছে।
একটি নিরীহ শিশুর জীবন এভাবে কেড়ে নেওয়া অমানবিক। আদালতের রায় ন্যায়বিচারের একটি ধাপ, কিন্তু ক্ষতি পূরণের নয়। রামিসার পরিবারের প্রতি সমবেদনা।



ফেসবুকে আমরা