মো: আইয়ুব আলী : হারাগাছ
বাংলা নববর্ষ ও চৈত্র সংক্রান্তিকে কেন্দ্র করে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বিষু, বৈসু, চাংক্রান ও চাংলান উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এক ফেসবুক পোস্টে তিনি সংশ্লিষ্ট নৃগোষ্ঠীর সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে বলেন,

এই উৎসবগুলো শুধু পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নয়, বরং পুরো দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের অংশ এবং জাতীয় জীবনেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। একই সঙ্গে তিনি বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নতুন বছর সবার জীবনে শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির বার্তা বয়ে আনবে বলে আশা প্রকাশ করেন। তারেক রহমান বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পাহাড় ও সমতলে বসবাসকারী সকল মানুষের সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব আমাদের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক।
এসব উৎসব মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ্য গড়ে তোলে। তিনি আরও বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ইতিহাস বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই বৈচিত্র্যই দেশের সংস্কৃতিকে করেছে আরও সমৃদ্ধ, গৌরবময় ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য।
9
বিএনপির এই শীর্ষ নেতা মন্তব্য করেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিশ্বে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। সকল নাগরিকের সমান অধিকার, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব—এ বিষয়ে সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, পাহাড় কিংবা সমতল—সব জায়গায় বসবাসকারী প্রতিটি মানুষ সমান অধিকার ও মর্যাদার অধিকারী। সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নের মাধ্যমেই একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন সম্ভব। শেষে তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন, পার্বত্য অঞ্চলের এসব ঐতিহ্যবাহী উৎসব এবং বাংলা নববর্ষ দেশের মানুষের জীবনে অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে।